এই কয়েকটি খাবার আপনাকে রোগা হতে সাহায্য় করবে

Ислам и веганство

আজকের পৃথিবীতে স্থুলতা বা মেদবহুলতা একটা মারণরোগের পর্যায়ে চলে গেছে। এই স্থুলতা বয়ে আনে শরীরে অসংখ্য রোগ। আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন এর জন্য অনেকটাই দায়ী। স্থূলতা কমবয়সেই শরীরকে অনেকবেশি দুর্বল করে দেয়। উচ্চরক্তচাপ থেকে হার্টের অসুখ শরীরে বাসা বেঁধে অনেক কম সময়ে ভয়ংকর আকার ধারণ করে। মহিলাদের ৩২ ইঞ্চি এবং পুরুষদের ৩৮ ইঞ্চির নীচে কোমরের সাইজ হওয়া স্বাস্থ্যসম্মত। এই অতিরিক্ত পেটের চর্বি কমাতে হবে নিয়মমাফিক জীবনযাত্রার মাধ্যমে যেমন ধরুন জল খাওয়া, ঘুম এবং খাবারের প্রতি বিশেষভাবে নজর দিয়ে। অনিয়মিত ঘুমের ফলে স্থুলতা বাড়ার সম্ভাবনা অনেকটা বেড়ে যায়। মেদবহুলতা বা স্থুলতা কমাতে কিছু খাবার আপনাদের খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখুন, যেমন

অ্যাভোকাডো

খাদ্যতালিকায় অ্যাভোকাডো যুক্ত করলে স্থূলতা নিয়ন্ত্রণের একটা সম্ভাবনা থাকে। ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, মিনারেল, পটাশিয়াম ইত্যাদি উপাদান গুলো শরীরের সোডিয়াম তরলকে বের করে দেয়। এই ফলটি অনেকেই খেতে পছন্দ করে বিভিন্ন ভাবে যেমন কেউ স্যালাডের সাথে খেতে পারে আবার কেউ হালকা অলিভ তেল দিয়ে ভেজে নিতে পারে। এতে ডায়েট লিস্টে একটা স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য তৈরি হয়।

 ফুলকপি

আমরা অনেকেই ফুলকপি খেতে চাইনা হজমের কারণে।কিন্তু ফুলকপিতে ক্যালোরির পরিমান কম থাকায় এটি সাহায্য করে পেটের চর্বি কমাতে। ফুলকপিতে  থাকা ভিটামিন c বিপাকীয় ক্রিয়াকে সহজ করে।

বাদাম

আমাদের রোজকার খাদ্যতালিকায় বাদামকেই অনেকেই ঢোকাতে পারেন শরীরের ভারসাম্য রাখতে। চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, আমন্ড,আখরোট ইত্যাদি বাদামে থাকে ফাইবার,মিনারেল,পটাশিয়াম যা শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।মেটাবলিজম শরীরের ঠিক থাকলে ঘুম এবং অন্যান্য শারীরিক ক্রিয়াগুলো সঠিকভাবে চলে, যা বাদাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তবে যাদের বাদামে অ্যালার্জি আছে তাঁদের খাওয়া একেবারেই নিষেধ। বাদামকে সরাসরি চিবিয়ে খাওয়া যেতে পারে আবার খাবারের সাথে মিশিয়ে বা অন্য কোন উপায়েও খাওয়া যায়।

দারুচিনি

দারুচিনি আমাদের শরীরে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রক হিসাবে কাজ করে।গবেষকদের মতে দারুচিনিতে থাকা কিছু উপাদান খাদ্যের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া খাদ্য উপাদান হিসাবে দারুচিনি প্রতিদিন খেলে হজমের সমস্যা অনেকটা দূর হয় যাতে মেদ জমার সম্ভাবনা কমে যায়।

মটরশুঁটি

মটরশুঁটি আমাদের প্রত্যেকেরই বাড়িতে  প্রায় প্রতিদিনই রান্না হয়। এক কাপ মটরশুঁটিতে ৬৭ গ্রাম ক্যালরি থাকে এর সাথে ডাইফাইবার, ভিটামিন সি  থাকে।

 শশা

স্যালাড মানেই শশা প্রত্যেক পাতে।শশার উপাদানের বেশিরভাগই জল যার ফলে নিয়মিত শশা খেতে পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা ।এতে হজমের সমস্যা দূর হওয়ার সাথে শরীরের মেদও ঝরে ,ক্যালরি থাকে মাত্র আট শতাংশ ।

ব্রকলি

ব্রকলি থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যানসারের ওষুধ হিসাবে কাজ করার সাথে সাথে শরীরে মেটাবলিজম রেটকেও নিয়ন্ত্রণ করে। এই কারণে পেটের অতিরিক্ত   মেদ ঝড়ে যায়।

পেঁপে

ডায়রিয়া রোগের অব্যর্থ ওষুধ বলে পেঁপেকে গণ্য  করা হয়। পেঁপেতে থাকা ফাইবার শরীরে হজমের প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এই কারণ ডায়েট চাটের প্রথমের দিকেই থাকে পেঁপের স্থান।

টমেটো

কার্ডিওভাসকুলার থাকাতে টম্যাটোর রক্তচাপ কমাতে জুড়ি মেলা ভার।টম্যাটোতে থাকা পটাশিয়াম চর্বির  পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে এছাড়াও প্রচুর ফাইবার আছে টম্যাটোতে।

লেটুস

লেটুস স্বাস্থ্য সচেতন ব্যাক্তির পাতে অবশ্যই দরকার। লেটুসে আছে মাত্র ৩৪গ্রাম ক্যালরি যার ফলে আমরা খেতে পারি নিয়মিত।এই পাতাতে অনেক খাদ্যগুণ সম্পন্ন হলেও তার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ  ভিটামিন K। কম ক্যালরি এবং বেশি পটাশিয়াম সমৃদ্ধ হওয়াতে লেটুস ডায়েট লিস্টে স্থান পায়।