শরিয়াহ সম্মত ওয়েব পরিবেশ. আরওসন্ধানকরুন

খুব সহজে ঘরেই তৈরি করুন সুস্বাদু মোজারেলা চীজ!

দোকান থেকে মোজারেলা চীজ কেনার কথা শুনলে অনেকেই আঁতকে ওঠেন। আর আঁতকে ওঠার কারণও আছে বটে। অতিরিক্ত দাম ও খুবই কম পরিমানের জন্য মোজারেলা চীজ কেনার ইচ্ছা থাকলেও সামর্থ্য হয় না অনেকেরই। কিন্তু কিছু বিশেষ খাবার যেমন পিজা, চিজ স্টিক ইত্যাদি খাবার তৈরি করতে তো মোজারেলার বিকল্প নেই তাই নিজেই ঘরে তৈরি করে ফেলুন মোজারেলা চীজ

চলুন তবে জেনে নেয়া যাক বাড়িতেই মোজারেলা চীজ তৈরীর সহজ পদ্ধতিটি-

উপকরণ: খাঁটি গরুর দুধ ৪ লিটার, দেড় চা চামচ সাইট্রিক এসিড (১/৪ কাপ পানিতে গুলাতে হবে), ১/৪ কাপ তরল রেনেট অথবা ১/২ টি ট্যাবলেট রেনেট (১/৪ কাপ পানিতে গুলাতে হবে), ১ চা চামচ মিহি গুঁড়ো লবণ, খাবারের তাপমাত্রা মাপার থার্মোমিটার, লোহার পাত্র (সাইট্রিক এসিড ও রেনেট বড় মশলার দোকান বা সুপার শপে খুঁজলেই পাবেন)।

প্রণালী: বড় লোহার পাত্রে দুধ ঢেলে মাঝারি আঁচে জ্বাল দিন। দুধ নাড়তে নাড়তে কিছুক্ষণ পড়ে তাপমাত্রা ৫৫ ডিগ্রি হলে দুধে সাইট্রিক এসিড দিয়ে নাড়তে থাকুন। এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ সাইট্রিক এসিড দিতে হবে।

এরপর ধীরে ধীরে তাপমাত্রা আরেকটু বেড়ে ৮৮ হলে রেনেট-এর মিশ্রনটি ঢেলে দিন। এ সময়ে দুধটা কিছুটা ঘন হয়ে আসবে এবং হালকা ছানা হয়ে চামচে লেগে যাবে। তাপমাত্রা ৯০ তে উঠলে প্রায় পুরো দুধটাই ছানা হয়ে যাবে। এ সময়ে খুব ধীরে ধীরে নাড়তে হবে। নাহলে পনির ঠিকমত জমবে না।

তাপমাত্রা ৯৫-১০৫ ডিগ্রি হলে পনিরটা ঘন হয়ে যাবে এবং পানি আলাদা হয়ে যাবে। তখন ঢাকনা দিয়ে ভালো করে ঢেকে রাখতে হবে কিছুক্ষণ।

১০৫ ডিগ্রিতে আরো কিছুক্ষন জ্বাল দেয়ার পর ঢাকনা তুলে জমে যাওয়া পনির আলাদা করে পানি ঝরানোর জন্য চালনিতে রাখুন। পনিরের পানিতে সামান্য লবণ দিয়ে চুলার আঁচ বাড়িয়ে জ্বাল দিন। তাপমাত্রা ১৭৫ হলে চালনি সহ পনিরটাকে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন।

এরপর চালনি থাকে পনিরটাকে তুলে ভালো করে চিপে পানি ছাড়িয়ে ফেলুন। পনিরটাকে ভালো করে মথে নিন এবং হাত দিয়ে গোল বলের মত আকৃতি দিন। বরফ পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন পনিরটিকে। এতে পনিরটি আরো ভালো করে জমবে।

ব্যস হয়ে গেলো মজাদার মোজারেলা পনির। বাক্সে ভরে মুখ আটকে ফ্রিজে বেশ কিছুদিন সংরক্ষণ করা যায় এই পনির।

Source:  Cultures for health.

Photo: Collected

কিছুবলারথাকলে

যোগাযোগকরুন