জিন এডিটিংয়ে ৩ বছরের জেল চিনে

জীবন Tamalika Basu ৩১-ডিসে.-২০১৯
Gene Editing
ID 119198534 © Teravector | Dreamstime.com

বেজিং : তাঁর গবেষণা শোরগোল ফেলে দিয়েছিল বিজ্ঞানীমহলে। কিন্তু সেই গবেষণার কারণেই তিন বছরের কারাদণ্ড পেলেন চিনের গবেষক হি জিয়ানকুই। ২০১৮ সালের নভেম্বরে হি দাবি করেছিলেন, জিন-এডিটিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুই যমজ শিশুর জিনে এমন বদল এনেছেন তিনি যাতে ভবিষ্যতে তাদের কখনও এইচআইভি সংক্রমণ না হয়। তাঁর আরও দাবি ছিল, এমন ঘটনা বিশ্বে প্রথম। সম্প্রতি ওই গবেষণাকে ‘বেআইনি’ গণ্য করে হি-কে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে চিনের আদালত। ৪ লক্ষ ৩০ হাজার ডলার জরিমানাও করা হয়েছে তাঁকে।

আদালত জানিয়েছে, ‘স্বাস্থ্য সংক্রান্ত গবেষণা বা চিকিৎসা করার মতো যোগ্যতা ছিল না হি ও  তাঁর দুই গবেষক সঙ্গীর। স্রেফ খ্যাতি ও অর্থের লোভে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত জাতীয় নিয়মকানুন ভেঙেছেন ওঁরা।’চিনের সংবাদমাধ্যমের দাবি, ২০১৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে মানবভ্রূণের জিন-এডিটিং থেকে সম্ভাব্য আর্থিক মুনাফার ব্যাপারে জানতে পেরেছিলেন হি। আর তার পরই দু’জন মেডিক্যাল গবেষক, ঝাং রেনলি এবং কিন জিনঝাউকে সঙ্গে নিয়েজিন এডিটিং নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা শুরু করেন। ২০১৮ সালের নভেম্বরে লুলু এবং নানা নামে দুই যমজ শিশুকন্যার জন্মের খবর দেন হি। ঝাং এবং কিনকে অপেক্ষাকৃত কম মেয়াদের কারাদণ্ড ও কম জরিমানা করেছে কোর্ট।