মতামত ২৩-জুলাই-২০২০

পরবর্তী প্রজ্ন্মকে সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করা আমাদেরই দায়িত্ব 

Zeeshan R

আমি মাঝেমাঝেই নিজেকে প্রশ্ন করি, আমরা কীভাবে পরবর্তী প্রজন্মকে ধর্মবিশ্বাস সম্পর্কে সঠিক শিক্ষা দিতে পারি। কীভাবে আমরা ছোটদের কুরআনের শিক্ষামূলক দিকগুলি সম্পর্কে জানার জন্য আগ্রহী করে তুলতে পারি ? আমরা কীভাবে ছোটদের মনে আল্লাহের প্রতি বিশ্বাস জাগিয়ে তুলতে পারি ?

সাহিত্যের প্রাক্তন ছাত্র হিসাবে, আমি যে কোনো লেখনিকে কাটাছেঁড়া করে বিশ্লেষণ করার প্রশিক্ষণ পেয়েছি। আমি লেখকত্ব, প্রসঙ্গ এবং শব্দের ইতিহাস পরীক্ষা করার গুরুত্ব শিখেছি। আমি বুঝতে পেরেছি যে, লেখক কী লিখছেন তা বোঝার জন্য তাঁর সমসাময়িক সময় সম্পর্কে জানার পাশাপাশি তাঁকে একজন ব্যক্তি হিসাবেও বুঝতে হবে। আমি জানি যে, যে কোনও লেখনির ব্যাখ্যা এবং তাতে ব্যবহৃত বিভিন্ন রূপকের বিশ্লেষণ করা, তার সম্ভাব্য অর্থ বোঝার জন্য অপরিহার্য। আর আমাদেরও কুরআনের সারমর্ম বুঝতে হলে, তার যুগোপযোগী বিশ্লেষণ করতে হবে, তার রূপকগুলির ব্যাখ্যা করতে হবে। তাহলেই আমরা কুরআনের প্রকৃত অর্থ বুঝতে পারব।

আমরা যদি এই সাহিত্যিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করি এবং একটি সাহিত্যিক লেন্সের মধ্যে দিয়ে কুরআনকে দেখি, তাহলে কী হবে? এটি কি আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে আমাদের প্রিয়নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর সাথে পরিচয় করানোর বিকল্প সম্ভাবনা হতে পারে?

লোকজন যখন কুরআন নিয়ে আলোচনা করেন, আমি তাঁদের বোঝানোর চেষ্টা করি যে, তার সমস্ত কিছু আমরা আক্ষরিক অর্থ অনুসারে বোঝার চেষ্টা করলে তা ভুল হবে। বরং যদি একজন সাহিত্যের ছাত্রের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে এগুলি বিচার করা হয়, তাহলে তার রূপকগুলির বিশ্লেষণ করে আধুনিক সময়ের উপযোগী ব্যাখ্যা পাওয়া সম্ভব। কুরআন শরীফকে যদি এভাবে ব্যাখ্যা করা যায়, তাহলে তা ছোটদের বোঝাতে অনেক বেশি সুবিধা হবে বলেই মনে হয়। ছোটবেলা থেকে ধর্ম সম্পর্কে সঠিক এবং সুশিক্ষা তাদের বড় হয়ে সাচ্চা মুসলিম হতে সাহায্য করবে।  ফলে আমরা এই দায়িত্ব যত ভালো ভাবে পালন করব, আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম তত বেশি উপকৃত হবে। এবং তারা তাদের সন্তানদেরও সুশিক্ষা দিতে পারবে। ফলে কেউ তাদের সহজে ধর্ম সম্পর্কে ভ্রান্ত করতে পারবে না। আগামী দিনে ইসলামের ভবিষ্যৎ কী হবে, তার দায়িত্ব রয়েছে আমাদেরই কাঁধে। তাই এই কাজে আমাদের প্রত্যেককে বিশেষ মনোযোগী হতে হবে। 

কিছুবলারথাকলে

যোগাযোগকরুন

কুরআন শরীফকে যদি এভাবে ব্যাখ্যা করা যায়, তাহলে তা ছোটদের বোঝাতে অনেক বেশি সুবিধা হবে বলেই মনে হয়। ছোটবেলা থেকে ধর্ম সম্পর্কে সঠিক এবং সুশিক্ষা তাদের বড় হয়ে সাচ্চা মুসলিম হতে সাহায্য করবে
প্রাসঙ্গিক নিবন্ধসমূহ
মতামত
মতামত ২৮-আগস্ট-২০২০
Zeeshan R

সর্বপ্রথম যে মুসলিম দেশ থেকে মুসলমানরা ব্রিটেনে গিয়েছিল সে দেশটি হলো ইয়েমেন। সে সময় ইয়েমেনিরা ব্রিটিশদের বাণিজ্য জাহাজে নাবিক হিসেবে কাজ করতো। সেই সুবাদেই তারা ব্রিটেনে গিয়ে বসবাস করতে শুরু করেছিল। ১৮৭০ খ্রিষ্টাব্দে তারা ব্রিটেনে সর্বপ্রথম মসজিদ তৈরি করেছিল।

চলবে চলবে
মতামত
মতামত ১৭-জুন-২০২০
Muhammad Nassar
Zeeshan R

আশ্রয় প্রার্থনায় শরণার্থী হওয়া বা আরও সমৃদ্ধ ভূমির সন্ধানে অভিবাসী হওয়ার পরিবর্তে, অভিবাসনের সন্ধানকারী মুসলমানদেরকে সমগ্র ইউরোপে অস্বীকার করার জন্য বলা হয়েছে

চলবে চলবে
মতামত
মতামত ১৭-জানু.-২০২০
صورة ملف شخصي
Zeeshan R

সুচিন্তিত বিবেচনার মাধ্যমে ভিন্ন চিন্তাধারাকে সহনীয় পর্যায়ে স্থান দেয়ার নাম পরমতসহিষ্ণুতা। রাষ্ট্রের সব শ্রেণী, পেশা, দলমত ও সব ধর্মের অনুসারীদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা প্রদর্শনও এর অন্তর্ভুক্ত। এটি গণতন্ত্রের অন্যতম নিয়ামকও। কোনো সমাজে ভিন্নমতের অনুশীলন ও চর্চা না হলে সে সমাজকে সভ্য ও গণতান্ত্রিক বলার সুযোগ থাকে না। যে সমাজে ভিন্নমতের কদর নেই, সেখানে গণতন্ত্রও নেই। দার্শনিক ভলতেয়ায়ের ভাষায়, ‘আমি তোমার সাথে দ্বিমত পোষণ করতে পারি, কিন্তু তোমার মতপ্রকাশের অধিকার রক্ষার জন্য আমি জীবন দিতেও কুণ্ঠিত নই।’ মূলত এটিই গণতন্ত্র ও সভ্যতার মানদণ্ড।

চলবে চলবে
মতামত
মতামত ১৭-জানু.-২০২০
Zeeshan R

অধ্যাপক লুডউইগ গুমপ্লায়িজ বলেন, ‘ইবনে খালদুন কোন পরিবারের উত্থান-পতন সম্পর্কে `তিন বংশ স্তরের` যে ধারণা দেন তা এখন অটোকার লরেঞ্জের কৃতিত্বের ভান্ডারে। অথচ লরেঞ্জের অনেক আগেই আরব দার্শনিক এই তত্ত্ব প্রচার করেছিলেন। বিস্ময়কর ব্যাপার ইবনে খালদুন সমর বিজ্ঞানের যেসব রীতি পদ্ধতি আলোচনা করেছিলেন ইউরোপীয়দের উত্থানের পুরো যুগে তাদের সেনাপতিরা সেসব রণকৌশল প্রয়োগ করেছেন। এছাড়া ম্যাকিয়াভেলি শাসকদের যেসব উপদেশ দিয়েছিলেন শতবর্ষ আগে ইবনে খালদুনও তা-ই লিপিবদ্ধ করে গিয়েছিলেন। অথচ তা কেউ জানত না।

চলবে চলবে