বরিশালের পাতে পেঁয়াজ কম,বলছে গবেষণা

Uncategorized Tamalika Basu ০৫-ডিসে.-২০১৯

ঢাকা: পেঁয়াজের ঝাঁঝে জ্বলছে দুই বাংলা। ভারত রপ্তানি বন্ধ করতেই বাংলাদেশকে রীতিমতো চোখের জল ফেলতে হচ্ছে পণ্যটি ঘরে আনতে। দেশের বাজারের প্রতিযোগীতামূলক একটি সরকারী সমীক্ষা জানিয়েছে, বাংলাদেশে সিলেটীরা সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ খান। আর সব চেয়ে কম পেঁয়াজ আসে বরিশালের বাড়িগুলিতে। দেশে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা ২৪ লাখ মেট্রিক টন। সাধারণত স্থানীয়ভাবে উৎপাদন ও আমদানির মাধ্যমে পেঁয়াজের এই চাহিদা পূরণ করা হয়। কিন্তু এবার বিপত্তি বাঁধে যখন গত ১৩ সেপ্টেম্বর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানিতে রাশ টেনে ধরে। ভারতে ইতিমধ্যে সে দেশের মূল্যে ১৫০ টাকা দর উঠেছে পেঁয়াজের। বাংলাদেশে উঠেছে ৩০০ টাকা। দুই দেশেই সর্বত্র সরকারী নজরদারি চলছে। পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুরে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে নওদাপাড়া রেলগেট লাগোয়া একটি পাইস হোটেলে, ক্যাশ কাউন্টারের ঠিক পাশে নোটিস পড়েছে , পেঁয়াজ চেয়ে লজ্জা দিবেন না। দোকান মালিক বলছেন, ‘কাঁচা পেঁয়াজ ক্রেতার থালায় তুলে দেবার সামর্থ্য নেই। ১২০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ কিনেছি, সবই রান্নায় লাগছে।’   বাংলাদেশের সমীক্ষা বলছে, একটি পরিবারে প্রতি মাসে সর্বনিম্ন এক কেজি ৫৬ গ্রাম থেকে সর্বোচ্চ চার কেজি ৯১ গ্রাম পেঁয়াজ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের পরিবারগুলো সেপ্টেম্বরে বেশি পেঁয়াজ ব্যবহার করে। এ মাসে সিলেট অঞ্চলের পরিবারগুলো গড়ে চার কেজি ৯১ গ্রাম পেঁয়াজ ব্যবহার করে। অন্যদিকে, ঢাকায় তিন কেজি ৫৬ গ্রাম, রাজশাহীতে তিন কেজি ৭৪ গ্রাম চট্টগ্রামে তিন কেজি ১৯ গ্রাম, খুলনায় দুই কেজি ৬২ ও রংপুরে আড়াই কেজি পেঁয়াজ ব্যবহার হয়ে থাকে। তবে ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি মাসে দেশের পরিবারগুলোতে পেঁয়াজ কম ব্যবহার হয়ে থাকে। অফ সিজনের কারণে এ সময়ে পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকে বলে।