রোহিঙ্গাদের উপর অত্যাচারের অভিযোগে মিয়ানমারকে কাঠগড়ায় তুলল গাম্বিয়া

Uncategorized Tamalika Basu ১০-ডিসে.-২০১৯

ঢাকা : মায়ানমারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের গণহত্যা নিয়ে তাঁর বক্তব্য জানাতে দ্য হেগে আন্তর্জাতিক ন্যায় আদালতে গেলেন নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ী আউং সান সু কি।

কয়েক দশক ধরে রোহিঙ্গাদের ওপর চরম নিষ্ঠুরতা করে পার পেয়ে গেছে মিয়ানমার। কখনোই আইনের তোয়াক্কা করেনি। এবারই প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিক আদালতে নিয়ে গেছে আফ্রিকার ক্ষুদ্র রাষ্ট্র গাম্বিয়া। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে মিয়ানমারকে দোষী প্রমাণিত করার চেষ্টায় গাম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল ও বিচারমন্ত্রী আবুবকর মারি তামবাদু ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মামাদু তাঙ্গারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। গত মাসে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি)’র পক্ষে গাম্বিয়া আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের গণহত্যা চালানোর অভিযোগ দায়ের করে।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের হত্যাকাণ্ডকে রাষ্ট্রপুঞ্জই তদন্তের পর ‘গণহত্যা’ তকমা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক ন্যায় আদালতে মামলার তিন দিনের শুনানিতে সু কি’র বক্তব্য শোনা হবে।

অন্যদিকে, রোহিঙ্গা ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মিয়ানমারের সেনাপ্রধানকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট সেনাপ্রধানসহ দেশটির শীর্ষ চার সেনা কর্মকর্তাকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

 

 

২০১৭ সালে মায়ানমারে মুসলিম রোহিঙ্গা শরণার্থীদের উপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করেছিল সেনাবাহিনী। তার দু’বছর আগেই বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করে সু কি’র দল। ফলে, ওই ঘটনা নিয়ে দেশে, বিদেশে কড়া সমালোচনার মুখে পড়েন সু কি। তাঁর বিরুদ্ধে দ্য হেগে আন্তর্জাতিক ন্যায় আদালতে মামলা করেছে পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ গাম্বিয়া।