শরিয়াহ সম্মত ওয়েব পরিবেশ. আরওসন্ধানকরুন

লেবুর রসের সাথে ডাবের জল মিশিয়ে খান রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে

আমাদের প্রতিদিনের জীবনযাপনে উচ্চরক্তচাপ বা হাইপার টেনশন ৯০শতাংশ ব্যক্তির নিত্যদিনের সঙ্গী। উচ্চরক্তচাপ নিজে কোনো রোগ না কিন্তু অন্যান্য অঙ্গকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। স্ট্রেস, অনিয়মিত খাওয়া,ব্যায়াম ইত্যাদির ফলে হয় বেশি সময়। রক্তনালীতে অতিরিক্ত চাপের ফলে উচ্চরক্তচাপ সৃষ্টি হয়, এই রোগটিকে নীরব ঘাতক বলে।উচ্চরক্তচাপ কোনো লক্ষন না দেখিয়ে শরীরে ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনে।এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি আমরা ব্যাবহার করতে পারি

লবণ 

উচ্চরক্তচাপের সবথেকে বড়ো কারণ লবণ।কাঁচা লবণ খাবেননা ভুল করেও,লবণে থাকা অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীরের ভারসাম্য নষ্ট করে দিয়ে বিপদ ডেকে আনবে।আমরা লবণ খাই সব খাবারেই স্যালাড থেকে তরকারী। এই লবণের পরিমাণ যতটা পারা যায় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে ,যদি খুব সমস্যা হয় এর বিকল্প আপনি ভাবুন।কিন্তু স্বাদের কারণে লবণ খেয়ে বিপদ ডেকে আনবেননা। লবণ জাতীয় খাবার যতটা পারবেন এড়িয়ে যান নিজেকে সুস্থ রাখতে।

অতিরিক্ত মেদ ঝরান

অতিরিক্ত মেদ শরীরে ডেকে আনে বিভিন্ন অসুখ। উচ্চরক্তচাপের ও অন্যতম বড়ো কারণ এই মেদ।আমাদের শরীরের ওজন মাত্রাতিরিক্ত বেশি হলে শরীরের রক্তপ্রবাহের হার ওঠা নামার ভারসাম্য থাকেনা।সমস্ত ক্রিয়া গুলোকে ব্যাহত করে চর্বি, সোডিয়ামের সার্কুলেশন ঠিকভাবে হয়না। তাই যতটা পারবেন মেদ ঝড়িয়ে ফেলুন নিজের কথা ভেবে।

 নিয়মিত ব্যায়াম

আমাদের প্রত্যেকের শরীরে নিয়মিত ব্যায়াম অত্যন্ত প্রয়োজন নিজেদের যেকোনো অসুখ থেকে দূরে রাখতে। শারীরিক ক্রিয়াকলাপ গুলির একটা নিয়ন্ত্রণ দরকার বাইরের কোনো ওষুধ ছাড়াই,এটি সবথেকে ভালো করে ব্যায়াম।হৃদপেশী শক্ত হয় ব্যায়ামের ফলে এবং এর ফলে আর্টারী চাপ কমে যায়।এই উচ্চরক্তচাপ বেশিরভাগ সময় অনিয়মিত জীবন যাপনের ফল। শরীরের বাড়তি স্ট্রেসকে কমাতেও হাতিয়ার করুন  ব্যায়ামকে।  ব্যায়াম করুন একটি নির্দিষ্ট সময় করে তাহলে অনেক অসুখের থেকে মুক্ত রাখতে পারবেন।

চর্বি জাতীয় খাবার ছাড়ুন

আমাদের শরীরে যেকোনো অসুখ সৃষ্টি করে ফ্যাট জাতীয় খাবার। উচ্চরক্তচাপ যেহেতু নিজে কোনো অসুখ নয় অন্য অঙ্গকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে তাই এই অসুখে খাবারের ব্যাপারে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করুন।আবার এই রোগটি কোনো লক্ষনও প্রকাশ করেনা। শুধুমাত্র কোলেস্টেরল যুক্ত খাবারই এই অসুখের কারণ বলে মনে করবেননা। সম্পৃক্ত চর্বিজাতীয় খাবার মাখন, তেল ,খাসীর মাংস, গোরুর মাংস ইত্যাদি খাওয়া ছাড়ুন। এর বদলে অলিভ অয়েল,মাছ,সাদা তেল পরিমিত খান। তাই প্যাকেট খাবার যতটা পারবেন এড়িয়ে চলুন। ফ্যাটের পরির্বতে অন্যান্য খাদ্যগুণের উপর বেশি নজর দিন  উচ্চরক্তচাপ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে।

কলাতে আছে প্রচুর পটাশিয়াম যা উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

লেবুর রসের সাথে ডাবের জল মিশিয়ে খান এতে শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের একটা ভারসাম্য তৈরি হবে যা উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে জরুরি।

তরমুজে আছে প্রচুর পরিমাণে লাইকোপিন,ফাইবার,পটাশিয়াম  যা এই রোগের নিয়ন্ত্রণে জরুরি।

ধূমপান আমাদের শরীরে বাজে কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দেয়।শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দের দুর্বল করে দেয় তাড়াতাড়ি। মানসিক চিন্তা, স্ট্রেস এসব থেকে মুক্তি পেতে আমরা অনেকসময় মদ্যপান বেছে নিই যা আমাদের ভবিষ্যতের বিপদের দিকে ঠেলে দেয়। তাই সাময়িক আরামের জন্য উচ্চরক্তচাপের মতো বিপদে নিজেকে ঠেলে দেবেননা।মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন।

মধু উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকরী ।দুচামচ মধু গরম জলে অ্যাপেল সিডারের থেকে যোগ করে খালি পেটে খান। উচ্চরক্তচাপ এতে নিয়ন্ত্রণে থাকবে।যেকোনো মশলাদার খাবারের বদলে উচ্চ ফাইবার যুক্ত খাবার খেতে হবে আমাদের।সোডিয়াম যুক্ত খাবারের বিকল্প সবসময় তৈরি রাখুন নিজের জন্য।

তাই নিজেদের সুস্থ রাখার দায়িত্ব নিজেরা নিয়ে এই কাজগুলো থেকে নিজেদের বিরত রাখুন।

কিছুবলারথাকলে

যোগাযোগকরুন