শুভ জন্মদিন মাশরাফি বিন মর্তুজা

বাংলাদেশ ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। তার কারণেই নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেট। ম্যাচের পর ম্যাচ, সিরিজের পর সিরিজ দেশকে জিতিয়ে চলেছেন তিনি। তিনি হয়ে উঠেছেন সবার নেতা। সেই নেতার ৫ই অক্টোবরে শুভ জন্মদিন। ১৯৮৩ সালের ৫ই অক্টোবর নড়াইলের মহিষখোলা গ্রামের নানাবাড়িতে জন্মেছিলেন তিনি। মাশরাফীর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা আইসিসি।

পরিবারে ও স্থানীয়ভাবে পরিচিত কৌশিক বনে যান ক্রীড়াঙ্গনের ‘নড়াইল এক্সেপ্রেস’। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা অধিনায়কের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

১৯৮৩ সালের এই দিনে নড়াইলের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম তারকা মাশরাফি বিন মর্তুজা। মাশরাফি বিন মর্তুজার বাবার নাম গোলাম মর্তুজা স্বপন। মায়ের নাম হামিদা মর্তুজা বলাকা। দুই ভাইয়ের মধ্যে মাশরাফি বড়। তিনি ৩৬ পেরিয়ে ৩৭ বছরে পা রাখলেন।

অসামান্য ব্যক্তিত্বসম্পন্ন এ ক্রিকেটারের ছেলেবেলা কেটেছে চিত্রা নদীতে সাঁতার কেটে। স্কুল ফাঁকি দিয়ে ক্রিকেট খেলতে যাওয়া ছেলেটি আজ বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক। পাড়ার মাঠে বল হাতে গতি ছোটানো মাশরাফি প্রথমে সুযোগ পান অনূর্ধ্ব-১৯ দলে। সেখান থেকেই তিনি চোখে পড়েন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং কোচ অ্যান্ডি রবার্টসের। তার হাতে পড়েই ক্যারিয়ার বদলে যায় মাশরাফির। তিনিই একমাত্র ক্রিকেটার যিনি প্রথম শ্রেণির কোনো ম্যাচ না খেলেই টেস্টে অভিষিক্ত হন।

ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটি তাদের অফিসিয়েল ফেসবুক ও টুইটারে মাশরাফীর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছে,

‘শুভ জন্মদিন মাশরাফী মোর্ত্তজা!

২০০১ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছেন এই বোলার এবং এই সময় নিজ দেশের হয়ে সব ফরম্যাটে নিয়েছেন ৩৮৬ উইকেট।’

মাশরাফীর ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরু হয় খুলনা বিভাগীয় অনূর্ধ্ব-১৭ দলে সুযোগ পাওয়ার মাধ্যমে । সেখান থেকেই একদিন সুযোগ পেয়ে যান অনূর্ধ্ব-১৯ দলে। তারপর জাতীয় দলে। কোন প্রথম শ্রেণির ম্যাচ না খেলেই অভিষিক্ত হন টেস্টে।

২০০১ সালের ৮ নভেম্বর ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টের প্রথম ইনিংসেই নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। একই বছর ২৩ নভেম্বর ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হয় তার।

এক নজরে মাশারাফির বোলিং পরিসংখ্যান :

টেস্ট : ৭৮ উইকেট (৩৬ ম্যাচ), সেরা বোলিং ফিগার ৪/৬০

ওডিআই : ২৬৬ উইকেট (২১৭ ম্যাচ), সেরা বোলিং ফিগার ৬/২৬

টি-টোয়েন্টি : ৪২ উইকেট (৫৪ ম্যাচ), সেরা বোলিং ফিগার ৪/১৯

Source: The Daily Bangladesh.

Photo: Collected