হালাল খাদ্য খান বলেই এখনও করোনা ভাইরাস গ্রাস করেনি উইঘুর মুসলিমদের, সিএনএন-এর রিপোর্ট

বিশ্ব Tamalika Basu ০৮-ফেব্রু.-২০২০
ID 170214282 © Andrianocz | Dreamstime.com

চিনের উইঘুর বন্দিশিবিরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত প্রসঙ্গে সম্প্রতি মার্কিন সংবাদ মাধ্যম এক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, চিনের অন্যান্য এলাকার তুলনায় উইঘুর মুসলিমরা করোনার গ্রাস থেকে অনেকটাই রেহাই পাচ্ছেন।তার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, উইঘুর মুসলিমরা যেহেতু হালাল খাদ্য খেয়ে থাকেন, সেটা তাদেরকে করোনা ভাইরাস থেকে নিরাপদ দূরত্বে রেখেছে। যদিও করোনা ভাইরাস যেহেতু সংক্রামক, তাই তাতে উইঘুররা আক্রমণের শিকার হবেন না এ কথা হলফ করে বলা যাবে না। সম্ভাবনা থেকেই যায়। কিন্তু তারা যে এখকনো করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত সেকথা স্পষ্ট জানিয়েছে সিএনএন। উল্লেখ্য, চিনাদের প্রিয় খাদ্য আরশোলা, টিকটিকি, ইঁদুর, ব্যাঙ ও অন্যান্য কীটপতঙ্গ। আর সেগুলিই মারাত্মক ভাইরাস বহন করে থাকে। মুসলিমরা এই সব খাদ্যগুলি ধর্মীয় নিষেধের কারণে খান না। তাদের হালাল খাদ্যই পছন্দ।

চিনের জিনঝিয়াং প্রদেশে মগজ ধোলাইয়ের নামে বিভিন্ন বন্দি শিবিরে উইঘুর মুসলিমদের রাখা হয়েছে মানবেতর পরিস্থিতির মধ্যে। সেখানে উইঘুর মেয়েদের জোর করে বন্ধ্যা করে দেওয়া হচ্ছে। কোনও ধরনের ধর্মীয় আচারবিধি পালন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে যখন প্রায় ১০ লাখ উইঘুর মুসলিমের দিন কাটছে তখন করোনা ভাইরাস আতঙ্ক বাড়িয়ে দিয়েছিল।

এ ব্যাপারে জর্জ টাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের চৈনিক ইতিহাসের অধ্যাপক জেমস মিলওয়ার্ড উদ্বেগ প্রকাশ করে ট্যুইটারে বলেছিলেন, বন্দি শিবিরে যা খারাপ অবস্থা, অস্বাস্থ্যকর ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মধ্যে উইঘুর মুসলিমরা থাকছে তা নজরদারির প্রয়োজন। তাদের প্রতি চিন সরকারের অবহেলার কথা উল্লেখ করে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, যেভাবে করোনা ভাইরাস থাবা বসাচ্ছে তাতে উইঘুর বন্দি শিবির মৃত্যু উপত্যকা হয়ে উঠতে পারে।