৭ ঘণ্টায় ৮ অঞ্চলের দখল নিলো তুরস্ক সমর্থিত লিবিয়া সরকার

বিশ্ব Tamalika Basu ১৭-এপ্রিল-২০২০
Libyan Civil War
ID 23802990 © Andrew Chittock | Dreamstime.com

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত লিবিয়ার জাতীয় ঐক্যজোট সরকার (জিএনএ) মাত্র সাত ঘন্টায় মধ্যে বিদ্রোহী খলিফা হাফতার বাহিনীর কাছ থেকে ছয়টি শহর এবং দুটি কৌশলগত অঞ্চলের দখল নিয়ে নিয়েছে। সোমবার তুরস্কের সমর্থনে তারা এই সফলতা অর্জন করে। এলাকাগুলো হলো- সারমান : মুক্ত অঞ্চলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুতপূর্ণ হল সারমান শহর। রাজধানী ত্রিপোলির সাথে তিউনিসিয়া সীমান্তের সংযোগ রক্ষাকারী উপকূলীয় সড়কের উপর অবস্থিত এই কৌশলগত শহরের জনসংখ্যা আনুমানিক ৪০ হাজার। ত্রিপোলির ৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত এই শহরটি নিয়ে হাফতারের মিলিশিয়া এবং জিএনএ বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘদিন সংঘর্ষ চলছিল। এই শহরটি হাফতারের নিয়ন্ত্রণে থাকলে পশ্চিম ত্রিপোলির বাকী এলাকাও দখল করা তার জন্য সহজ হত।

সাব্রথা : সাব্রথা শহরটি ত্রিপোলি থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যার জনসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার। এটি জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে রাজধানীর পশ্চিমে অবস্থিত বৃহত্তম শহরগুলির মধ্যে একটি। সাব্রথাও উপকূলীয় সড়কের উপর অবস্থিত যা তিউনিসিয়াসহ অন্যান্য দেশে বাণিজ্যিক বিনিময় এবং যাত্রী পরিবহণের জন্য খুবই গুরুতপূর্ণ। আল-আজিলাত : এই শহরটি ত্রিপোলি থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং এর জনসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার।  এটি হাফতারের মিলিশিয়াদের অন্যতম প্রধান দুর্গ ছিল। জিনতান সামরিক কাউন্সিলের কমান্ডার ওসামা আল-জুওয়াইলি জিএনএ-এর প্রতি আনুগত্যে প্রকাশ করার পরে, এই শহরে ক্ষমতার ভারসাম্যে পরিবর্তন আসে। জুমাইল : ত্রিপোলি থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যার জনসংখ্যা প্রায় ১ লাখ। শহরটি আরব উপজাতি অধ্যুষিত।  অঞ্চলটির বেশিরভাগ হাফতারের নিয়ন্ত্রণে ছিল। যদিও আল-জুওয়াইলিরও সেখানে কিছুটা প্রভাব রয়েছে। এছাড়াও, আল-জুফরা এয়ারবেস (ত্রিপোলি থেকে ১৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে) প্রশাসনিকভাবে জুমাইল শহরের অন্তর্গত।

এ ছাড়া রিকদালিন, জাল্টান, আল-আসাহ শহরের দখল নিয়েছে জিএনএ সরকার।